• শনিবার, ০১ এপ্রিল ২০২৩, ১১:০২ অপরাহ্ন
শিরোনাম
মনপুরায় পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু,নানা মহলের শোক প্রকাশ! ফেনী রিপোর্টার্স ইউনিটির ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত ভেড়ামারায় উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠন’র ইফতার ও দোয়া মাহফিল বাংলাদেশ স্কুল বাহরাইনের উদ্যোগে মরহুম গোলাম রব্বানীর স্মরণে দোয়া ও ইফতার মাহফিল বাহরাইনে আল হেরা শিল্পী গোষ্ঠীর ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত গণতন্ত্র সম্মেলনের উদ্বোধন করলেন – জো বাইডেন চতুর্থ মেয়াদে শেখ হাসিনা সরকার গঠন করবে – ব্লুমবার্গ হজ্ব যাত্রীদের নিবন্ধনের সময় বাড়ালেন ধর্ম মন্ত্রণালয় আ. লীগের নেতৃত্বেই দেশে ভাতের অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে: ওবায়দুল কাদের পরিবেশ মন্ত্রীর নির্দেশের পর সড়কের কাজ শুরু

হোসেনপুর বাজারে সন্তান প্রসব করা সেই নারী ইউএনওর সহায়তায় ফিরলেন বাড়িতে

দৈনিক আমাদের সংগ্রাম | পত্রিকা..... / ৯৫ জন পড়েছে
প্রকাশিত সময়: সোমবার, ১৯ জুলাই, ২০২১

মোঃ এমদাদুল হক, স্টাফ রিপোর্টার।

 

কিশোরগঞ্জ জেলার, হোসেনপুর উপজেলায়, পুমদী ইউনিয়নের রামপুর বাজারে মানসিক ভারসাম্যহীন এক নারী ১২ জুলাই সকালে পুত্রসন্তানের জন্ম দেন। এ খবর শুনে ছুটে যান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাবেয়া পারভেজ। তিনি অজ্ঞাত ওই নারীর নবজাতককে কোলে তুলে নেন। তাদের চিকিৎসার জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করান।

 

পরবর্তীতে হোসেনপুর উপজেলা প্রশাসন খোঁজ করতে থাকেন মানসিক ভারসাম্যহীন ওই নারীর পরিচয়। ওই নারীর দেওয়া তথ্যমতে খোঁজ নেওয়া হয় বরিশালে। সেখানে বানারীপাড়া ও আগৈলঝড়া উপজেলা প্রশাসন ও বরিশাল পুলিশের সহায়তায় খোঁজ মেলে পরিবারের।

 

মানসিক ভারসাম্যহীন ওই নারীর নাম পারভীন। তার স্বামী আব্দুল মালেক ঢাকায় রিকশা চালান। রোববার (১৮ জুলাই) স্বামীর হাতে স্ত্রী ও সন্তানকে বুঝিয়ে দেয় উপজেলা প্রশাসন

 

হোসেনপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাবেয়া পারভেজ জানান, এটা আমাদের জন্য খুবই কঠিন জার্নি ছিল। কারণ ওই নারী এর মাঝে একবার পালিয়েও গিয়েছিল। পরে আবার থাকে ধরে আনা হয়। সেখানে আবার সে আত্মহত্যার হুমকিও দেয়। তাকে পাহারা দিয়ে রাখার চ্যালেঞ্জের সঙ্গে সঙ্গে তার কাছ থেকে তথ্য বের করা, তার ফোন নম্বর বের করাও ছিল কঠিন কাজ।তার স্বামীর ফোন নম্বর বের করে যোগাযোগ করা হলে, জানা যায় তার বাড়ি বরিশালে। কিন্তু তিনি ঢাকায় রিকশা চালান।

 

আমি কয়েক দফা তার সঙ্গে ফোনে কথা বলেছি। বরিশালের ভাষা বুঝি না, কথা বুঝাতে পারি না, আমি যে ইউএনও এটাও তাকে বুঝাতে পারিনি।অবশেষে সে তার ম্যানেজারের কাছে ফোন দিলে কিছুটা সহজ হয়েছে যোগাযোগ। কিন্তু দীর্ঘ দিন তারা গ্রামের বাড়ি থাকেন না। তার পরিবারকে খুঁজে বের করতে আমাদের আন্তরিকতার কোনো ঘাটতি ছিল না। পরে রোববার স্বামী তার স্ত্রী ও সন্তানকে নিতে এলে তার হাতে বুঝিয়ে দেয় উপজেলা প্রশাসন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
❌ নিউজ কপি করা নিষিদ্ধ ❌